নুরুল হক নুর বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাষ্ট্রের নতুন বাংলাদেশের জন্য জাতীয় ঐক্যের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা এখন বিভাজন সৃষ্টি করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারে থাকা ছাত্র নেতাদের কিছু অনৈতিক কার্যকলাপ, যেমন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জনগণের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি, এই অবস্থাকে আরও জটিল করে তুলেছে।
তিনি আরও বলেন, গত ৬ মাসে আন্দোলনকেন্দ্রিক ছাত্রনেতাদের মধ্যে কিছু অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রকাশিত হয়েছে, যেমন তদবির, নিয়োগ, টেন্ডার বাণিজ্য, যা জনগণের বিশ্বাসকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তার মতে, যারা পুরোনো পথেই হাঁটছে, তারা গণঅভ্যুত্থানের উদ্দেশ্য থেকে সরে গিয়ে জনগণের সাথে প্রতারণা করছে।
এছাড়া, তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে একক কোনো সংগঠন বা নেতার কর্তৃত্বে সংগঠিত হয়নি উল্লেখ করে বলেন, এটি ছিল একটি যৌথ প্রচেষ্টা। তিনি সবার কাছে আহ্বান জানিয়েছেন, যেন মুক্তিযুদ্ধের আওয়ামী চেতনার মতো বিভ্রান্তিমূলক ন্যারেটিভ তৈরি না করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরো কিছু দাবি তুলে ধরা হয়েছে, যেমন:
- জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে গণঅভ্যুত্থানের অংশীজনদের নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন
- আহতদের সুচিকিৎসা, শহীদ পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন
- গণহত্যার বিচার এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ
এসময় গণঅধিকার পরিষদের সদস্য ফারুক হাসান, শাকিল উজ্জামান, শহিদুল ইসলাম ফাহিম, ফাতিমা তাসনীম, জসিম উদ্দিন আকাশ, মাহফুজুর রহমান খান সহ আরও অনেক নেতা উপস্থিত ছিলেন।